বিশ্লেষণঃ ডান-বাম-হেফাজত এবং নতুন হিস্টরিক ব্লকের সম্ভাবনা

ফারুক ওয়াসিফ

ভাষা আন্দোলনের সূচনা করে ইসলামী আদর্শ প্রভাবিত তমু্দ্দিন মজলিশ। ১৯৪৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ শিরোনামে অধ্যাপক আবুল কাশেম সম্পাদিত একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে। পরে এই আন্দোলন এগিয়ে নেয় বামপন্থী ভাষা মতিনের মতো মানুষ। বাংলাদেশে ভারতের রামপাল প্রকল্প, তিস্তার পানিবঞ্চনা, সীমান্ত হত্যা ইত্যাদি নিয়ে সবচেয়ে বেশি সোচ্চার ছিল আনু মুহাম্মদের নেতৃত্বাধীন জাতীয় কমিটি এবং বামদলগুলি। মোদীর সফরের বিরুদ্ধেও প্রথমে শোর তুলেছিল বাম ছাত্ররা। দ্রুত তা মাদ্রাসা ছাত্রদেরও জাগিয়ে তোলে এবং হেফাজতও কর্মসূচী দিতে বাধ্য হয়।

অনেকদিন পর আবারো বাম ছাত্ররা এজেন্ডা সেট করেছে, অন্যরা সেটাকে যার যার মতো এগিয়ে নিয়ে গেছে। পুরনো রাজনৈতিক বিন্যাস ও আঁতাত অটুট থাকতে পারছে না। ফলে নতুন রাজনৈতিক বিন্যাস ও জোটবদ্ধতার আলামত দেখা যাচ্ছে। নতুন হিস্টরিক ব্লকের সম্ভাবনা জেগেছে।

যে হেফাজত সরকারের সঙ্গে দেওয়া-নেওয়ার সম্পর্কের সুবিধাভোগী, তারা নামকাওয়াস্তে প্রতিবাদের কথা বলেছিল। প্রতিরোধে যাবে না বলে সরকারকে কথা দিয়েছিল। অনেক মাদ্রাসার হুজুর ছাত্রদের নিরস্ত করতে যারপরনাই চেষ্টা করেছেন। কিন্তু বামদের একাংশের দৃঢ়চেতনার কারণে ইস্যুটা তাদের ও সরকারের সমঝোতার বাইরে চলে যায়। তাছাড়া বাম ও হেফাজতও একশিলা জিনিস না। বামের বড় অংশটাই সরকারপন্থী, হেফাজতের মূল নেতারাও তাই। কিন্তু পরিস্থিতির চাপ ও তরুণদের আপসহীনতার কারণে বাম ও ডান উভয় শিবিরই যার যার ছকের বাইরে এসে পড়েছে। একেই বলছি রাজনীতির পুরনো বিন্যাসে ফাটল ধরার আলামত।

এই ফাটল ধরানোয় আরো ভূমিকা রেখেছে কিছু অন্তর্ঘাতমূলক তৎপরতা। বায়তুল মোকাররমে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ সমাবেশ হতেই পারলো না, মসজিদের ভেতর আটকে রেখে সেখানে হেলমেট বাহিনী পিস্তল উঁচিয়ে হামলা করলো। ঠিক শাল্লার ঘটনার মতো, হেফাজতের বিক্ষোভ মিছিল নদীর এপারে প্রশাসন আটকালো, যুবলীগের স্বাধীন মিয়ারা গিয়ে হিন্দু গ্রামে হামলা চালালো। হাটহাজারীতেও একই ঘটনা। কেউ চেয়েছিল শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ সহিংস হয়ে উঠুক। হেফাজতের নেতারা বারবার প্রতিবাদের কথা বলেছেন, প্রতিরোধের কথা অস্বীকার করেছেন। তাহলে কারা হামলা করে, গুলি করে, ভাংচুর চালিয়ে মাদ্রাসা ছাত্রদের লাশ ফেলে তাদের খেপিয়ে তুললো? প্রথম আলোর রিপোর্টে নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপারও বলেছেন, হেফাজত জ্বালাও পোড়াও করেনি, করেছে অন্য দুষ্কৃতিকারীরা। এরা কারা সে প্রশ্ন তোলা রইল। ডিপ পলিটিকস ছাড়া পলিটিকস বুঝতে চাওয়া বোকামি।

তার আগে হিস্টরিক ব্লকের ধারণাটা এখানে পরিষ্কার করা দরকার। ধারণাটা ইতালিয় মার্কসীয় তাত্ত্বিক ও ফ্যাসিস্ট মুসোলিনির কারাগারে শহীদ কমিউনিস্ট নেতা আন্তোনিও গ্রামসির। তত্ত্বে না গিয়ে আমাদের ইতিহাস থেকে বিষয়টা ব্যাখ্যা করবো।

ইংরেজ দখলদার, স্থানীয় জমিদার-আমলা-মহাজন ও বুদ্ধিজীবীদের একটা ঐতিহাসিক জোট পলাশীর পর দুইশ বছর বাংলাকে পরাধীন করে। ১৯৩০ এর দশকে শেরে বাংলার নেতৃত্বে গ্রামীণ মধ্যবিত্ত কৃষক ও উঠতি মুসলমান মধ্যবিত্তরা কৃষক প্রজা পার্টির নামে একটা হিস্টরিক ব্লক বা বিভিন্ন শ্রেণীর সমন্বয়ে ঐতিহাসিক জোট গঠন করে। এটাই পূর্ব বাংলায় জমিদার-মহাজন ব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ করে। সুভাষ বসুর ফরোয়ার্ড ব্লককে বাদ দিলে এটাই উপমহাদেশের প্রথম জনপ্রিয় শ্রেণী সংগ্রামী অসাম্প্রদায়িক জোট। কিন্তু হিন্দু সাম্প্রদায়িকতার জবাবে মুসলিম সাম্প্রদায়িকতার ঢল নামলে এই ঐতিহাসিক জোট পাকিস্তান আন্দোলনের মধ্যে হারিয়ে যায়। নবাব, পুঁজিপতি, সামরিক-বেসামরিক আমলা ও ধর্মীয় রক্ষণশীলদের নতুন হিস্টরিক ব্লক পূর্ব বাংলায় জয়ী হয়। এই ভুলের কারণে দেশ ভাগ হয় এবং মুসলিম লীগ ও কংগ্রেসের খেলার শিকার হয়ে বাংলাদেশ ১৯৭১ এ এসে পাকিস্তানিদের ভয়ংকর গণহত্যার শিকার হয়। ১৯৪৭ সালে হিন্দু-মুসলিম অভিজাতদের হিস্টরিক ব্লকের বিজয় না হলে কোটি মানুষ দেশান্তরিত এবং তিরিশ লাখ বাংলাদেশি শহীদ হতো না। এই কথাটা মনে রাখতে হবে।

যাহোক, তমুদ্দিন মজলিশের সূচনার মাধ্যমে অচিরেই মুসলিম লীগের নেতৃত্বাধীন পুরনো হিস্টরিক ব্লক ভেঙ্গে পড়ে এবং মুসলিম লীগের প্রগতিশীল অংশ এবং বামদের মিলিত চেষ্টায় অসাম্প্রদায়িক জাতীয়তাবাদী নতুন হিস্টরিক ব্লক বাঙালী জাতীয়তাবাদের নামে এক হয়। এই নতুন হিস্টরিক ব্লকের গঠনে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন মাওলানা ভাসানী ও শেখ মুজিব।

স্বাধীনতার পর একাত্তরের হিস্টরিক ব্লক সার্বভৌমত্ব ও জাতীয়তার প্রশ্নে আবার ভাগ হয়। এই দুই ভাগ বাঙালি ও বাংলাদেশি নাম নিয়ে দুটি হিস্টরিক ব্লক হিসেবে প্রতিযোগিতা করতে থাকে। যে বাঙালি জাতীয়তাবাদ বুকে নিয়ে শেখ মুজিক পাকিস্তানের কারাগারে গিয়েছিলেন আর যে বাঙালি জাতীয়তাবাদ নিয়ে আওয়ামী লীগের ভারত-প্রবাসী নেতৃত্ব ফিরে এলো তা এক ছিল না। শেখ মুজিব ছিলেন অসাম্প্রদায়িক বাঙালি মুসলিম জাতীয়তাবাদী। যারা ফিরে এলেন, বিশেষত যে বুদ্ধিজীবীরা কলকাতায় আয়েশে ছিলেন, তাঁরা মুসলিম পরিচয়কে একেবারে কেটে সেখানে উনিশ শতকীয় বাঙালী হিন্দু জাতীয়তাবাদের চেতনা পুরে দিতে চেষ্টা করলেন, আওয়ামী লীগকে ভারতমুখী করলেন। এই প্রলেপ দেওয়ার বুদ্ধিবৃত্তিক কাজটা সুচারুভাবে করলেন মস্কোপন্থী বাম বলে পরিচিত সিপিবি ঘরানার বুদ্ধিজীবীরাও। সাবেক চীনাপন্থী শাহরিয়ার কবীররাও কম করলেন না।

লুটপাট, গণবিচ্ছিন্নতা, স্বৈরাচারী জুলুম দিয়ে এই বাঙালী জাতীয়তাবাদ শুধু জনবিচ্ছিন্নই হয়নি। তারা একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সকল অর্জনকে ক্ষমতা ধরে রাখার স্বার্থে উপমহাদেশিয় হেজিমনের পায়ে সঁপে দিয়েছে। বাঙালি জাতীয়তাবাদী হিস্টরিক ব্লক এখানেই নিঃশেষিত হয়ে গেছে।

বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ কিন্তু বিএনপির দলীয় বৃত্তেই আটকে গেছে। তাদের সার্বভৌমত্বের রাজনীতি জনগণের কাছে স্পষ্ট হয়নি। আওয়ামী লীগের মতো বুদ্ধিজীবী বলয়ের সাংস্কৃতিক ও নৈতিক বর্ম তাদের নাই। ইতিমধ্যে নতুন মুসলিম পরিচয় শক্তিশালী হয়েছে মুসলিম লীগের উত্তরাধিকার, ওয়ার অন টেররের যুগে নিপীড়িত হওয়ার অভিজ্ঞতা, ভারতে বিজেপির উত্থানের আতংক, বৃহত রাষ্ট্রের আধিপত্যবাদের প্রতিক্রিয়ায়।

বিপদের দিক হলো, এই মুসলিম জাতীয়তাবাদী হিস্টরিক ব্লক আজকের দুনিয়ায় অকেজো। তা সর্বজনের কথা বলতে পারছে না। ধর্মীয় বৃত্তের বাইরে জাতীয় হয়ে ওঠার চেষ্টা তাদের দেখা যায় না। সকল নাগরিকের অধিকার ও সম্মানের নিশ্চয়তাও তারা দিতে পারছে না।

বাংলাদেশপন্থার বিকল্প মুসলিমপন্থা হতে পারে না যে কারণে– আমার আগের লেখা থেকে লম্বা উদ্ধৃতি দিচ্ছি:

‘‘আসন্ন বাংলাদেশপন্থা মুসলিমপন্থা হয়ে উঠুক, এটাই দেশের ও মানুষের শত্রুরা চায়। কারণ, মুসলিম লীগ টাইপ রাজনীতিকে তারা মোকাবিলা করতে অভ্যস্ত, অসাম্প্রদায়িক জাতীয়তাবাদকে নয়। ৪৭ এ মুসলিম লীগ জয়ী হয়নি আসলে, পোকায় খাওয়া স্বাধীনতা নিয়ে হাজার বছরের উত্তরাধিকার ছাড়তে বাধ্য হয়েছে। একাত্তরের বাংলাদেশ সংগ্রাম অসাম্প্রদায়িক ছিল বিধায় পাকিস্তান পরাজিত হয়েছে, ভারতও দুর্বল রাষ্ট্রটিকে হতে দিয়েছে।

বাংলাদেশ এখন দ্বিতীয় পাকিস্তান হতে চাইলে ভারতই বা তা মানবে কেন। দ্বিতীয় পাকিস্তান হওয়া আজকের কাজ নয়, আজকের কাজ অসম্পূর্ণ মুক্তিসংগ্রাম সম্পন্ন করা। যত বছরই লাগুক। মুক্তিযুদ্ধ ০২-ই ভবিষ্যত। যাদের কাজ হবে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে জনগণের হাতে নিয়ে আসা।

বাংলাদেশের দ্বিতীয় মুক্তিসংগ্রাম একাত্তরের মতো হবে না, ৪৭ এর মতোও হবে না। কিন্তু বিপক্ষ চাইবে উত্তেজিত মুসলিমদের ৪৬-৪৭ এর কায়দায় চালিত করতে। মুসলিম ধ্বনি দিয়ে ৪৭ পার হওয়া গেছে, বাঙালী জাতীয়তাবাদ দিয়ে ৭১ পার হওয়া গেছে। কিন্তু অতীতের সাজসজ্জা আর ভূমিকা নিয়ে নতুন লড়াইয়ে নামা মানে নতুন ট্র্যাজেডির জন্ম দেওয়া।

বাংলাদেশপন্থা হলো এজমালি/সর্বজনের নাগরিক রাজনৈতিকতার কর্মসূচী। ভেতর বাহিরের আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশপন্থাই ভবিষ্যত। মতবাদের ঘুলঘুলি থেকে বেরুতে, চিলেকোঠার সেপাইদের সার্বজনীন অধিকারের সঙ্গে মেলাতে এই নাগরিক রাজনীতিই আমাদের লাগবে। নতুন যে উঠতি মধ্যবিত্তের তরুণেরা আজ বাম বা মধ্য লাইনে রাজপথে ও অনলাইনে সংগ্রাম করছে, তারা এই অসাম্প্রদায়িক ও মুক্তিকামী বাংলাদেশপন্থার ইঞ্জিন।

কিন্তু একে ব্যর্থ করতে খেলা শুরু হয়ে গিয়েছে। আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আগামী দিনের গণঅভ্যুত্থান যাতে আবার ৪৭-এর মুসলিম লীগের কায়দায় সম্প্রদায়গত হয়ে পড়ে, তার জন্য বাংলাদেশপন্থাকে মুসলিম জাতীয়তাবাদ দিয়ে কাটাকুটি করা হবে। ইসলামপন্থিদের ভাবতে হবে, তাঁরা বিভক্তির লাঠিয়াল হবেন নাকি জান-জবান ও রাষ্ট্রীয় স্বাধীনতার জন্য কাজ করবেন।

বাংলাদেশপন্থার জন্য মুসলিমপন্থা হলো সেই নাজুক জায়গা, সেই একিলিস হিল, যেখানে আক্রমণ করে সতের কোটি বাংলাদেশিকে কাবু করা সম্ভব। বিজেপির সাম্প্রদায়িকতার মুসলিম সাম্প্রদায়িকতা কিংবা হিন্দুত্ববাদের জন্য মুসলিমবাদ হলো সবচেয়ে পছন্দের খেলা। যে খেলায় বাংলাদেশের জয়ী হওয়ার কোনো সম্ভাবনাই নাই।

বাংলাদেশপন্থাকে অসাম্প্রদায়িক, সার্বজনীন ও নাগরিক মর্যাদা ও রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্বের জায়গা থেকে দেখতে হবে। এই জাতীয় ঐক্যে আজান ও উলু পরস্পরের সঙ্গত করবে। বিরোধ হিন্দুর সঙ্গে মুসলমানের না, দখলবাজ লুটেরাদের সঙ্গে সাধারণের এবং অবশ্যই নিজেদের হিস্যা বুঝে নিতে চাওয়া উঠতি মধ্যবিত্তের। উঠতি মধ্যবিত্ত শ্রেণীর তরুণেরাই কিন্তু ৫২-৭১ করেছিল।

নতুন শ্রেণী আসা মানে নতুন রাজনীতি আসা। এখন বিভ্রান্ত হওয়ার কোনো সুযোগই নাই। ইতিহাস বারবার সুযোগ দেবে না। আকাশের দিকে তাকিয়ে চলা জাতি খাদে পড়বেই।’’

এই দুর্দিনে গণতন্ত্র এবং জান ও জবানের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের তাগিদ থেকে নতুন হিস্টরিক ব্লকের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। মোদী প্রশ্নে ডান ও বাম যে একইভাবে প্রতিবাদী হলো, তার মধ্যেও পরিস্থিতির ইশারা দেখা যায়। ডান ও বাম একাকার হচ্ছে না, বরং অভিন্ন প্রতিবাদের মধ্যে দিয়ে অভিন্ন জাতীয় ইস্যু চিহ্নিত হলো। দ্বিতীয়ত, কারা গণবিরোধী, কারা আরো খুন ও জুলুমের পক্ষে, কাদের ক্ষমতা ও সম্পদের কাছে জাতীয় স্বার্থ বিসর্জিত সেটা জনগণের কাছে প্রমাণিত হলো।

নতুন বাংলাদেশপন্থী হিস্টরিক ব্লককে জিততে হলে হেফাজতী লাশের সওদাগর ও সুবিধাভোগী বামদের থেকে আলাদা হয়ে ডান-বাম নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ জাতীয় প্ল্যাটফর্মের দরকার হবে। অসাম্প্রদায়িকতা ও সর্বজনীন মানবাধিকার ও গণতন্ত্র হবে তার অলংঘনীয় ভিত্তি। সংস্কৃতিবাদী যুদ্ধ ছাড়তে হবে। মনে রাখতে হবে, ডিএসএ থাকলে ব্ল্যাসফেমির দাবিও থাকবে। প্রগতিশীলতার নামে ইসলামোফোবিয়া চললে, ইসলামপন্থীরাও প্রগতিফোবিয়ার আগুন জ্বালাবে। অন্যের বিনাশই যদি আধুনিকতা ও প্রগতিশীল সংস্কৃতি হয়, তাহলে সেই ‘অন্য’ও কিন্তু আপনার বিনাশ চাইবে।

নিরপরাধ ১৭ তরুণের লাশ সামনে রেখে আত্মশুদ্ধি ও আত্মসংগ্রামের তাগিত আমাদের সবার মনে জাগুক। এত মৃত্যু বৃথা যেতে পারে না।

ফারুক ওয়াসিফ
২৯.৩.২১
কবি, লেখক

Invest in Social

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *