সবচেয়ে আনন্দের মুহুর্তটা তখন ফিল করি, যখন আমার হাতে ISSB এর গ্রীণ কার্ডটি আসে

ছোট বেলায় প্রকৌশলী হবার ইচ্ছে থাকলেও আস্তে আস্তে ডিফেন্সের মানুষের জীবন, দেশপ্রেম, সাহসিকতা দেখে ডিফেন্স এর প্রতি আগ্রহ বাড়তে থাকে।

ছোটবেলায় স্কুল জীবন কাটে মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে। তখন ইচ্ছে ছিল বড় হয়ে ইঞ্জিনিয়ার হবো।

সেন্ট জোসেফে ভর্তি হওয়ার সময় ডিফেন্স এ যোগ দেয়ার জন্য প্রবল আগ্রহ হয়। সবার মতোই ব্যস্ততার মাঝে কাটে কলেজ জীবন।

সবচেয়ে বড় দোটানায় পড়ি যখন এডমিশন প্রিপারেশন নেই। নিজের স্বপ্ন ডিফেন্স।কিন্তু ISSB তে না টিকলে আমার সামনে ততোদিনে সব রাস্তাই বন্ধ হয়ে যাবে।

বাবার পরামর্শে ইঞ্জিনিয়ারিং কোচিং শুরু করি। অবশেষে স্কুল জীবনের স্বপ্নটাকেই বেছে নিয়ে আলহামদুলিল্লাহ রুয়েটে ভর্তি হই ইইই তে।

রুয়েটে থাকাকালীন IEEE এর সাথে জড়িত হই এবং বিভিন্ন ইভেন্ট অর্গানাইজিং এ জড়িত থাকি।

বাসা ,বাবা-মা ছেড়ে পড়াশোনা শুরু করার পর ই জীবনের কঠিন বাস্তবতা বুঝতে পারি।

তাছাড়া আরো বাস্তবতার সম্মুখিন হই যখন আমাদের ই সিরিজের মেকানিক্যাল ডিপার্টমেন্ট এর সুকান্ত ব্রেইনে ইনফেকশন নিয়ে হাসপাতালে শয্যাশায়ী হয়।

দেশের এই প্রান্ত থেকে ওই প্রান্ত ঘুরে, ক্যাম্পেইনিং করেও বন্ধুটিকে বাচাতে পারিনি।

অনেক আনন্দ,কষ্টের মাঝে ভার্সিটি জীবনটা শেষ হয়।

কিন্তু মনের কোন এক কোণায় ডিফেন্স এর প্রতি ভালোবাসাটা থেকেই যায়। রুয়েট থেকে পাশ করে বের হওয়ার কিছুদিন পর ই এক বন্ধুর মাধ্যমে জানতে পারি বাংলাদেশ নেভি তে এপ্লিকেশন নিচ্ছে।

নিজের মাঝে ডিফেন্স এর ইচ্ছাটা আবার পেয়ে বসে আর জীবনের প্রথম চাকরির এপ্লিকেশন টা বাংলাদেশ নেভিতে করি।

আমার জীবনের সবচেয়ে আনন্দের মুহুর্তটা তখন ফিল করি, যখন আমার হাতে ISSB এর গ্রীণ কার্ডটি আসে। শুরু হলো স্বপ্ন যাত্রা। রাস্তাটি সুখকর ছিলনা।

অসহনীয় ৬ মাস ট্রেনিং এর প্রতিটি মুহূর্তে মনে হয়েছিল, “স্বপ্নটা কী অধরাই থেকে যাবে?”। পায়ে ব্যাথা নিয়ে যখন দৌড়াতে হতো,তখন মনে হতো, হয়তো পারবোনা আমি।

কিন্তু মনের বল হারাইনি কখনো। অবশেষে ৬ মাসের অসহনীয় ট্রেনিং এর পর কাঙ্ক্ষিত অবস্থানে পৌঁছাতে পেরেছি আলহামদুলিল্লাহ। ঈদে বাড়িতে যেতে পারিনি,কর্মস্থলে ঈদ কাটাতে হয়েছে।

আবার কবে যাওয়ার সুযোগ হবে বাড়িতে তাও জানিনা। কিন্তু আজ আমি আমার জীবনের দুটি স্বপ্নই পূরণ করতে সক্ষম হয়েছি আলহামদুলিল্লাহ।

আজ আমি বিশাল সমুদ্রের মাঝে ভেসে বেড়াই, স্বপ্নের বিশালতার সাথে মেলানোর চেষ্টা করি।

রুয়েটে থাকাকালীন অর্জিত ইভেন্ট অর্গানাইজিং অভিজ্ঞতা আমার প্রফেশনাল জীবনে অনেক সহায়তা করছে। আমি আমার স্বপ্ন,আমার বাবা-মায়ের স্বপ্ন পূরণে সক্ষম হয়েছি।

স্বপ্ন কে কখনো ভাঙ্গা যাবেনা। স্বপ্ন পূরণে প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।

মানুষ স্বপ্নের মতো বড়, কখনো কখনো স্বপ্নের চাইতেও বড়। তাই স্বপ্ন দেখতে হবে এবং পরিশ্রম করতে হবে। সফলতা আসবেই ইনশাআল্লাহ।

(Bilingual)

Although I wanted to be an engineer at a young age, my interest in defense gradually increased after seeing the life, patriotism, and courage of the people of Defense.

I spent my school life in Manipur High School. Then I wanted to grow up and become an engineer.

There was a strong interest in joining the defense when I was admitted to St. Joseph’s College.

Like everyone else, college life is cut short.

The biggest dilemma is when there is no admission preparation. The defense was my dream.

But if I don’t stick to ISSB, all the roads will be closed in front of me.

I started engineering coaching on my father’s advice. Finally, I chose the dream of school life and got admitted to EEE, RUET Alhamdulillah.

While at RUET I got involved with IEEE and got involved in organizing various events.

After leaving home and parents to start studying, I can understand the difficult reality of life.

I also face more reality when Sukanta of the Mechanical department of our series goes to the hospital with a brain infection.

Turning from one end of the country to the other, we could not save my friend even by campaigning.

Varsity life ends in the midst of so much joy and hardship.

But in one corner of the mind, the love for defense remains.

A few days after I passed out of RUET, I came to know through a friend that Bangladesh Navy is taking application.

I got the desire of defense among myself again and applied for the first job in my life in Bangladesh Navy.

I feel the happiest moment of my life when I get the green card of ISSB.

The dream journey began. The road was not pleasant. In every moment of the unbearable 6 months of training, I thought, “Will the dream remains elusive?”

When I had to run with leg pain, I thought I might not be able to. But I never lost the strength of mind.

Finally, after 6 months of unbearable training, I was able to reach the desired position, Alhamdulillah.

I could not go home on Eid, I had to spend Eid at work. I don’t know when I will have the opportunity to go home again.

But today I have been able to fulfill both dreams of my life Alhamdulillah. Today I float in the middle of the vast ocean, trying to match the vastness of the dream.

The event organizing experience I gained while at RUET is helping me a lot in my professional life.

I was able to fulfill my dream, the dream of my parents.

Dreams should never be broken. Efforts must continue to fulfill the dream.

People are as big as dreams, sometimes even bigger than dreams.

So you have to dream and work hard. Success will come insha’Allah.

Shadman Shoumic
Department Of Electrical and Electronic Engineering, ’13 Series

Acting Sub Lieutenant
Bangladesh Navy

©Human’s of RUET

Invest in Social

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *