মাদারীপুরে অস্ত্রের মুখে গৃহবধূকে ধর্ষণচেষ্টা ছাত্রলীগ নেতার

অস্ত্রের মুখে গৃহবধূকে ধর্ষণচেষ্টা ছাত্রলীগ নেতার
অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে স্থানীয়দের মানববন্ধন।

গৃহবধূর স্বামীর অনুপস্থিতিতে ছাত্রলীগ নেতা গৃহবধূর ঘরে প্রবেশ করে অস্ত্রের মুখে হাত-পা বেঁধে ধর্ষণের চেষ্টা করে

মাদারীপুরে অস্ত্রের মুখে গৃহবধূকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ফয়সাল আহম্মেদ মিঠু হাওলাদারের বিরুদ্ধে।

সোমবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে মাদারীপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনার জড়িতদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল-মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী। মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসকের কাছে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেছেন তারা।

এর আগে এ ঘটনায় অভিযুক্ত ফয়সাল আহম্মেদ মিঠু হাওলাদারের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে সদর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন ওই গৃহবধূ।

মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ফয়সাল আহম্মেদ মিঠু হাওলাদার (৩১) ও তার সহযোগি ফয়সাল হাওলাদার (২৩) ভুক্তভোগী গৃহবধূকে দীর্ঘদিন ধরে উত্যক্ত ও কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল।

এরই সূত্রধরে, মাদারীপুর সদর উপজেলার পূর্ব রাস্তি এলাকায় গত ২৭ নভেম্বর সকাল ১০টার দিকে ভূক্তভোগী গৃহবধূর স্বামীর অনুপস্থিতিতে আসামিরা গৃহবধূর ঘরে প্রবেশ করে অস্ত্রের মুখে হাত পা বেঁধে ধর্ষণের চেষ্টা করে।

এ সময় গৃহবধূর চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসলে আসামিরা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় দুইজনের বিরুদ্ধে সদর মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন ভূক্তভোগী ওই গৃহবধূ।

তবে ঘটনার এক মাসেরও বেশি সময় পার হওয়ার পরেও কোনো আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন এলাকাবাসী। এই ঘটনার পর থেকে আসামিরা পলাতক রয়েছে।

ঘটনার শিকার গৃহবধূর ভাই বলেন, “মিঠু হাওলাদার ও তার সহযোগী খুব প্রভাবশালী। এ ঘটনার পর থানায় মামলা করায় আমাদের হুমকি দিয়ে আসছে।”

মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল হাসান মিঞা বলেন, “ঘটনার পর থেকে আসামিরা পলাতক রয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের জোর চেষ্টা চলছে। আশা রাখি খুব শীঘ্রই আসামিদের গ্রেপ্তার করতে পারব।