ইন্টেলে যোগদান করলেন চুয়েটের দীপ্ত

চুয়েট থেকে ইন্টেলে যাওয়ার গল্প/
ইন্টেলে যোগদান করলেন চুয়েটের দীপ্ত

সম্প্রতি বিশ্ববিখ্যাত টেক জায়ান্ট ইন্টেলে প্রসেস ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে যোগদান করেছেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়র (চুয়েট) শিক্ষার্থী দীপ্ত সরকার।

শিক্ষাজীবনে তিনি চুয়েটের যন্ত্রকৌশল বিভাগের ‘০৯ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। এর আগে চট্টগ্রাম কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক ও চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল থেকে মাধ্যমিক শেষ করেন তিনি।

অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ আসলেও বাড়ির দূরত্ব বিবেচনায় তিনি চুয়েটকেই বেছে নেন। বর্তমানে আমেরিকার কানসাস স্টেট ইউনিভার্সিটিতে পিএইচডি তে অধ্যয়নরত রয়েছেন।

ছোটবেলায় তেমন লক্ষ্য না থাকলেও কলেজ থেকে ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন তিনি। ইন্টেলে যোগদানের পিছনে পরিবারের পাশাপাশি তার পি.এইচ.ডি এডভাইজর অনুপ্রেরণা দেখিয়েছেন ও সাহায্য করেছেন বলে তিনি জানান।

দীপ্ত সরকার বলেন, ইন্টেলে যোগদানের ক্ষেত্রে আমার পিএইচডি গবেষণাপত্র অনেক বেশী সাহায্য করেছে। গবেষণায় স্বচ্ছ ধারণাকেই ইন্টেল প্রাধান্য দিয়ে থাকে।

ইন্টেলে যোগদানে কয়েকটি ধাপ পার করতে হয়। কোনো একটি পজিশনে এপ্লাই করলে ৩০-৬০মিনিটের একটি ফোন ইন্টারভিউয়ের জন্য ডাকা হয়।

সেটিতে ভালো করলে পরবর্তী ইন্টারভিউয়ের জন্য ডাকা হয় যেখানে দিনব্যাপী বিভিন্ন লেভেলের ম্যানেজারের উপস্থিতিতে বিভিন্ন বিষয়ের উপর দীর্ঘক্ষণ প্রেজেন্টেশন দিতে হয়।যদি সবকিছু তাদের পছন্দমতো হয় তাহলে সপ্তাহ দুয়েকের মধ্যে জবের কল পাওয়া যায়।

তিনি আরও জানান, চুয়েটের শিক্ষক ও শিক্ষার পরিবেশ আমাকে এই অবস্থানে যেতে সাহায্য করেছে।উচ্চশিক্ষার জন্য চুয়েটে অর্জিত শিক্ষা, দক্ষতা কাজে লেগেছে।

মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং এ স্নাতক শেষ করেও টেক জায়ান্ট ইন্টেলে যাওয়া সম্পর্কে দীপ্ত সরকার জানান, শুরুটা স্নাতক থেকেই হয়েছিলো।

আমি হিট ট্রান্সফার ও ম্যাটেরিয়াল গবেষণায় আগ্রহী ছিলাম এবং সেটিতে উচ্চশিক্ষার ইচ্ছে ছিলো।

পিএইচডি শুরুর পর আমি মাইক্রো/ন্যানো স্কেল ম্যাটেরিয়ালের উপর গবেষণা শুরু করি যেটা আমাকে মাইক্রো ফ্যাব্রিকেশন সম্পর্কে জানাতে সাহায্য করেছিলো এবং সেটিই মাইক্রো-ইলেক্ট্রনিক ইন্ডাস্ট্রির বেসিস ছিলো।

এসবই ইন্টেলে যোগদানের ক্ষেত্রে বিশেষ সহযোগিতা করেছিলো।

ইডি/কানেকটর/আতাহার মাসুম তারিফ