ড. ইউনুস- বিশ্ব দরবারে “বাংলাদেশ” এর ব্রান্ড এম্বাসেডর

২৮ জুন,১৯৪০ সালে এই নোবেল জয়ী,ব্যাংকার,অর্থনীতিবিদ, ক্ষুদ্র ঋন ধারার প্রবর্তকের জন্ম। অধ্যাপক ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা। মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীন ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। আজ তাঁর ৮০তম জন্মদিন।

এই দিনটি গত ১০ বছর ধরে বৈশ্বিকভাবে পালন করা হয় সামাজিক ব্যবসা দিবস হিসেবে।
তিনি ড. মুহাম্মদ ইউনূস যিনি বাংলাদেশের একমাত্র নোবেল লরিয়েট। নোবেল-উত্তর জীবন তিনি সমর্পণ করছেন সামাজিক ব্যবসা ধারণার প্রসার এবং বাস্তবায়নে।।

এক নজরে সংক্ষিপ্ত পরিচয়

জন্ম ও জন্মস্থান:- ২৮ই জুন,১৯৪০.    চট্টগ্রাম,বাংলাদেশ

জাতীয়তা। :- বাংলাদেশী

কাজের ক্ষেত্র। :-
ক্ষুদ্রঋন,কল্যানমূলক
অর্থনীতি,নীতিবিদ্যা

শিক্ষায়তন। :-
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়,ইউনিভার্সিটি অব কলোরাডো,ভ্যানেডারবিল্ট বিশ্ববিদ্যালয়।

অবদান :-
গ্রামীন ব্যাংক, ক্ষুদ্র ঋন

বিশেষ পুরুষ্কার সমূহ। :-

স্বাধীনতা দিবস পুরুষ্কার(১৯৮৭), বিশ্ব খাদ্য পুরুষ্কার(১৯৯৪),প্রেসিডেনশিয়াল মেডেল অফ ফ্রিডম(২০০৯), আন্তজার্তিক গান্ধী পুরুষ্কার(২০০০),ভলবো পরিবেশ পুরুষ্কার(২০০৩),নোবেল শান্তি পুরুষ্কার(২০০৬),কংগ্রশনাল গোল্ড মেডেল(২০১০)

পরিবার এবং শৈশব

মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৪০ সালে চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী উপজেলার বাথুয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

তিনি চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল এবং চট্টগ্রাম কলেজে ও পরবর্তীতে বাংলাদেশে ঢাকা বিশ্ববিদযালয়ে পড়াশোনা করেন।

তাঁর পিতার নাম হাজী দুলা মিয়া সওদাগর এবং মাতার নাম সুফিয়া খাতুন। তাঁর প্রথম বিদ্যালয় মহাজন ফকিরের স্কুল।

সপ্তম শ্রেণিতে পড়ার সময় তিনি বয়েজ স্কাউটসে যোগ দেন এবং বয়েজ স্কাউটসের পক্ষ থেকে মাত্র ১৫ বছর বয়সে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডাসহ এশিয়া এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেন।

মুহাম্মদ ইউনূসের সহধর্মিনী ডঃ আফরোজী ইউনুস। ব্যক্তিগত জীবনে মুহাম্মদ ইউনূস দুই কন্যার পিতা। মুহাম্মদ ইউনূসের ভাই মুহাম্মদ ইব্রাহিম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এবং ছোট ভাই মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর একজন জনপ্রিয় টিভি ব্যক্তিত্ব।।

শিক্ষা ও প্রাথমিক কর্মজীবন (অধ্যাপক ইউনুসের আত্মজীবনীগ্রন্থের প্রচ্ছদ)

চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পরীক্ষায় মুহাম্মদ ইউনূস মেধা তালিকায় ১৬তম স্থান অধিকার করেন এবং চট্টগ্রাম কলেজে ভর্তি হন।

সেখানে তিনি সাংস্কৃতিক এবং রাজনৈতিক কর্মকান্ডের সাথে নিজেকে যুক্ত করেন। কলেজে তিনি নাটকে অভিনয় করে প্রথম পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়াও তিনি সাহিত্য পত্রিকা সম্পাদনা এবং আজাদী পত্রিকায় কলাম লেখার কাজে যুক্ত ছিলেন।

১৯৫৭ সালে মুহাম্মদ ইউনূস ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগের সম্মান শ্রেণীতে ভর্তি হন এবং সেখান থেকেই বিএ এবং এমএ সম্পন্ন করেন। এরপর তিনি ব্যুরো অব ইকোনমিক্স -এ গবেষণা সহকারী হিসাবে যোগদান করেন।

পরবর্তীকালে ১৯৬২ সালে চট্টগ্রাম কলেজে প্রভাষক পদে যোগদান করেন। ১৯৬৫ সালে তিনি ফুলব্রাইট স্কলারশিপ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যান এবং পূর্ণ বৃত্তি নিয়ে ভেন্ডারবিল্ট বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১৯৬৯ সালে অর্থনীতিতে পিএইচডি লাভ করেন।

ইউনূস বাংলাদেশে ফিরে আসার আগে ১৯৬৯ থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত মিডল টেনেসি স্টেট ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষকতা করেন।

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশের পক্ষে বিদেশে জনমত গড়ে তোলা এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তা প্রদানের জন্য সাংগঠনিক কাজে নিয়োজিত ছিলেন।

১৯৭২ সালে দেশে ফিরে তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন এবং বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৭৫ সালে তিনি অধ্যাপক পদে উন্নীত হন এবং ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত এ পদে কর্মরত ছিলেন।
ইউনুস দারিদ্র্যতার বিরুদ্ধে তার সংগ্রাম শুরু করেন ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশে সংঘটিত দুর্ভিক্ষের সময়।

তিনি বুঝতে পারেন স্বল্প পরিমাণে ঋণ দরিদ্র মানুষের জীবন মান উন্নয়নে অত্যন্ত কার্যকরী হতে পারে।

সেই সময়ে তিনি গবেষণার লক্ষ্যে গ্রামীণ অর্থনৈতিক প্রকল্প চালু করেন। ১৯৭৪ সালে মুহাম্মদ ইউনুস তেভাগা খামার প্রতিষ্ঠা করেন যা সরকার প্যাকেজ প্রোগ্রামের আওতায় অধিগ্রহণ করে।।

 

ড. মুহাম্মদ ইউনুস এ উপর শিক্ষা গবেষনা

৩৩টি দেশে ৮৩টি বিশ্ববিদ্যালয়/কলেজে তাঁর নামে ইউনূস সোশ্যাল বিজনেস সেন্টার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে গবেষণা হচ্ছে তাঁর কাজ ও জীবনাদর্শ নিয়ে। সামাজিক ব্যবসার ওপর একাডেমিক কোর্স চালু হয়েছে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে।

ড.মুহাম্মদ ইউনূসের জীবনী অন্তর্ভুক্ত হয়েছে কানাডা ও জাপানের মাধ্যমিক বিদ্যালয়েরই পাঠ্যপুস্তকে। পৃথিবীর মাত্র সাতজন ব্যক্তির একজন বাংলাদেশের ড. ইউনূস, যিনি পেয়েছেন নোবেল শান্তি পুরস্কার এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেনশিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম এবং কংগ্রেসনাল গোল্ড মেডেল।।

গ্রামীন ব্যাংকের প্রতিষ্ঠা

মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৭৬ সালে গ্রামীন প্রতিষ্ঠা করেন গরিব বাংলাদেশীদের মধ্যে ঋণ দেবার জন্য। তখন থেকে গ্রামীণ ব্যাংক ৫.৩ মিলিয়ন ঋণগ্রহীতার মধ্যে ৫.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ প্রদান করে।

ঋণের টাকা ফেরত নিশ্চিত করার জন্য গ্রামীণ ব্যাংক “সংহতি দল” পদ্ধতি ব্যবহার করে। একটি অনানুষ্ঠানিক ছোট দল একত্রে ঋণের জন্য আবেদন করে এবং এর সদস্যবৃন্দ একে অন্যের জামিনদার হিসেবে থাকে এবং একে অন্যের উন্নয়নে সাহায্য করে।

ব্যাংকের পরিধি বাড়ার সাথে সাথে গরিবকে রক্ষা করার জন্য ব্যাংক অন্যান্য পদ্ধতিও প্রয়োগ করে। ক্ষুদ্রঋণের সাথে যোগ হয় গৃহঋণ, মৎস খামাড় এবং সেচ ঋণ প্রকল্প সহ অন্যান্য ব্যাংকিং ব্যাবস্থা।

গরিবের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গ্রামীণ ব্যাংকের সাফল্য উন্নত বিশ্ব এমন কি যুক্তরাষ্ট্র সহ অন্যান্য শিল্পোন্নত দেশসমূহকে গ্রামীণের এই মডেল ব্যবহার করতে উদ্ভুদ্ধ হয়।।

চিন্তা চেতনায় ড. মুহাম্মদ ইউনুস

ড. ইউনূস প্রচলিত ধারার অর্থনীতিবিদ নন। শুধু গবেষণা, তত্ত্ব বা বিশ্লেষণে থেমে থাকেন না তিনি। নিজে তত্ত্ব ও ধারণার জন্ম দেন এবং তা সফলভাবে বাস্তবায়ন করে দেখিয়ে দেন।

জামানতবিহীন ও যৌথ দায়দায়িত্বভিত্তিক ক্ষুদ্র ঋণ প্রকল্পের সাফল্য গ্রামীণ ব্যাংক। এ পর্যন্ত ৪২টি দেশে ১৩২টি প্রতিষ্ঠান অনুসরণ করেছে গ্রামীণ ব্যাংকের মডেল।

তাঁর সামাজিক ব্যবসা ধারণা আরও গভীর জায়গায় সংস্কারের কথা বলে। এতে উদ্যোগ, বিনিয়োগ, উৎপাদন, বিতরণ, ভোগ—সব ক্ষেত্রে সামষ্টিক মানুষের কল্যাণ, অর্থনৈতিক সাম্য ও সুযোগের সমতার কথা বলা হয়েছে।

তিনি শূন্য দারিদ্র্য, শূন্য বেকারত্ব আর শূন্য কার্বন এমিশনের যে পৃথিবীর স্বপ্ন দেখেন, তা অর্জনে সবচেয়ে বড় কর্মপন্থা হিসেবে সামাজিক ব্যবসা ধারণা দিয়েছেন। এ ব্যবসা প্রচলিত পুঁজিবাদী ধারণার বিরোধী।

এতে বিনিয়োগকারী কোনো লভ্যাংশ গ্রহণ করেন না এবং লাভের টাকা বিনিয়োগ করা হয় সামাজিক ব্যবসা সম্প্রসারণ ও এর মাধ্যমে কর্মসংস্থান ও সামাজিক কল্যাণে।

ড. ইউনূস মনে করেন অতি কেন্দ্রীভূত, অতি পরিবেশবিনাশী, অতি পুঁজি শাসননির্ভর পৃথিবীকে বদলে ফেলতে হলে আমাদের অর্থনীতির প্রচলিত  আর সফটওয়্যার পরিবর্তন করতে হবে। এ জন্য সম্ভবত ‘সফটওয়্যার’ হিসেবে তিনি সামাজিক ব্যবসা ধারণা দিয়েছেন।

সামাজিক ব্যবসায় তিনি বেসরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সরকারি সহায়তার (মূলধন, নীতি, কাঠামোগত) প্রয়োজনের কথা বলেছেন।

সবচেয়ে বেশি বলেছেন ব্যক্তি মানুষের নিজের উদ্যোগের কথা। এ জন্য তিনি প্রচলিত শ্রম বিভাজনকে ভাঙতে বলেছেন।

ব্যক্তি শুধু পরিবারের দেখাশোনা করবে ও কর দেবে, আর সরকার সব সমষ্টিগত সমস্যার দেখভাল করবে, তিনি তা ঠিক মনে করেন না তিনি।

তিনি মনে করেন, সরকারের পাশাপাশি ব্যক্তিও স্বাস্থ্যসেবা, পানীয় জল সরবরাহ, কর্মসংস্থান জলবায়ু এসব সমস্যার সমাধান করবে।

তিনি যে ইনক্লুসিভ ও অংশগ্রহণমূলক উদ্যোগের কথা বলেন, তা রাজনৈতিকভাবেও উদার গণতন্ত্রের ধারণার সঙ্গে সামঞ্জস্যমূলক।

এটি তাই আশ্চর্য নয় যে তাঁর সামাজিক ব্যবসা উদ্যোগে সবচেয়ে বেশি সাড়া এসেছে উদার গণতান্ত্রিক দেশগুলো থেকে।

সামাজিক ব্যবসায় এগিয়ে এসেছে ফ্রান্সের ডানোন ফুডস, ভিয়োলিয়া ওয়াটার, জার্মানির বিএএসএফ, জাপানের ইউনোক্লোসহ উন্নত বিশ্বের বহু নামীদামি কোম্পানি।[়]

গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি(২০১৯)

গ্রামীণ কমিউনিকেশনস নামের প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের চাকরীচ্যুত করার অভিযোগে দায়ের করা তিনটি মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতের চেয়ারম্যান রহিবুল ইসলাম।

তৃতীয় শ্রম আদালতের একজন কর্মকর্তা মোহাম্মদ নুরুজ্জামান জানিয়েছেন, দায়ের করা মামলা তিনটিতে ড. মুহাম্মদ ইউনুসের বিরুদ্ধে সমন জারি করা হয়েছিল।

সমনের জবাব দিতে বুধবার আদালতে হাজির না হওয়ায় এ পরোয়ানা জারি করা হয়েছিলো।

তিনটি মামলাতেই ড. মুহাম্মদ ইউনুসের সঙ্গে গ্রামীণ কমিউনিকেশনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজনীন সুলতানা এবং উপ-মহাব্যবস্থাপক খন্দকার আবু আবেদীনকে আসামি করা হয়েছিলো।

প্রকাশিত কয়েকটি বই:-

  1. Three Farmers of Jobra; ডিপার্টমেন্টস অফ ইকোনোমিক্স, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়(১৯৭৪)
  2. planning in Bangladesh;ডিপার্টমেন্টস অফ ইকোনোমিক্স, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়; (১৯৭৬)
  3. jorimon and Others; গ্রামীণ ব্যাংক; (১৯৯১)
  4. Grameen Bank, as I See it; গ্রামীন ব্যাংক(১৯৯৪)

পুরস্কার অর্জন

মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। তিনি প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে এই পুরস্কার লাভ করেন।

•প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ড। (১৯৭৮)
•রামোন ম্যাগসেসে পুরস্কার। (১৯৮৪)
•কেন্দ্রীয় ব্যাংক অ্যাওয়ার্ড। (১৯৮৫),
•স্বাধীনতা পুরস্কার (১৯৮৭),
•আগা খান অ্যাওয়ার্ড। (১৯৮৯),
•কেয়ার পুরস্কার। (১৯৯৩),
•নোবেল পুরস্কার (শান্তি)। (২০০৬),
•মানবহিতৈষণা পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র। (১৯৯৩),
•মুহাম্মদ সাহেবুদ্দিন বিজ্ঞান (সামাজিক অর্থনীতি) পুরস্কার,শ্রীলঙ্কা (১৯৯৩),
•রিয়াল এডমিরাল এম এ খান স্মৃতি পদক,বাংলাদেশ (১৯৯৩),
•বিশ্ব খাদ্য পুরস্কার,যুক্তরাষ্ট্র (১৯৯৪),
•পিফার শান্তি পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (১৯৯৪),
•ডঃ মুহাম্মাদ ইব্রাহিম স্মৃতি স্বর্ণ পদক, বাংলাদেশ (১৯৯৪),
•ম্যাক্স সছমিধেইনি ফাউন্ডেশন ফ্রিডম পুরস্কার,সুইজারল্যান্ড (১৯৯৫),
•ঢাকা মেট্রোপলিটন রোটারারি ক্লাব ফাউন্ডেশন পুরস্কার, বাংলাদেশ (১৯৯৫),
•আন্তর্জাতিক সাইমন বলিভার পুরস্কার (১৯৯৬),
•ভ্যানডারবিল্ট বিশ্ববিদ্যালয় বিশিষ্ট আলামনাই পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (১৯৯৬),
আন্তর্জাতিক একটিভিটিস্ট পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (১৯৯৭),
•প্লানেটরি কনশিয়াশনেস বিজনেস ইনোভেশন পুরস্কার, জার্মানি (১৯৯৭),
•হেল্প ফর সেলফ হেল্প পুরস্কার,নরওয়ে (১৯৯৭),
•শান্তি মানব পুরস্কার (ম্যান ফর পিস এওয়ার্ড), ইতালি (১৯৯৭),
•বিশ্ব ফোরাম পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (১৯৯৭),
•ওয়ান ওয়ার্ল্ড ব্রডকাস্টিং ট্রাস্ট মিডিয়া পুরস্কার, যুক্তরাজ্য (১৯৯৮),
•দ্যা প্রিন্স অফ আউস্তুরিয়া এ্যাওয়ার্ড ফর কনকর্ড, স্পেন (১৯৯৮),
•সিডনি শান্তি পুরস্কার, অস্ট্রেলিয়া (১৯৯৮),
•অযাকি (গাকুডো) পুরস্কার, জাপান (১৯৯৮),
•ইন্দিরা গান্ধী পুরস্কার, ইন্ডিয়া (১৯৯৮),
•জাস্টটি অফ দ্যা ইয়ার পুরস্কার,
ফ্রান্স (১৯৯৮) ( Les Justes D’or ),
•রোটারারি এ্যাওয়ার্ড ফর ওয়ার্ল্ড আন্ডারস্ট্যান্ডিং, যুক্তরাষ্ট্র (১৯৯৯),
•গোল্ডেন পেগাসাস এ্যাওয়ার্ড, ইটালি (১৯৯৯),
•রোমা এ্যাওয়ার্ড ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যানিটারিয়ান, ইটালি (১৯৯৯),
•রাথিন্দ্রা পুরস্কার, ইন্ডিয়া (১৯৯৮),
•অমেগা এ্যাওয়ার্ড অফ এক্সিলেন্সি ফরব লাইফ টাইম এচিভমেন্ট, সুইজারল্যান্ড (২০০০),
•এ্যাওয়ার্ড অফ দ্যা মেডেল অফ দ্যা প্রেসিডেন্সি,ইটালি (২০০০),
কিং হুসেইন হিউম্যানিটারিয়ান লিডারশীপ এ্যাওয়ার্ড, জর্ডান (২০০০),
•আই ডি ই বি গোল্ড মেডেল এ্যাওয়ার্ড, বাংলাদেশ (২০০০),
•আরতুসি পুরস্কার, ইটালি (২০০১),
গ্•র্যান্ড প্রাইজ অফ দ্যা ফুকুওকা এশিয়ান কালচার পুরস্কার, জাপান (২০০১),
•হো চি মীণ পুরস্কার, ভিয়েতনাম (২০০১),
•আন্তর্জাতিক সহযোগিতা পুরস্কার ‘কাজা ডি গ্রানাডা’, স্পেন (২০০১),
•নাভারা ইন্টারন্যাশনাল এইড এ্যাওয়ার্ড, স্পেন (২০০১),
•মহাত্মা গান্ধী পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (২০০২),
•বিশ্ব টেকনলজি নেটওয়ার্ক পুরস্কার, যুক্তরাজ্য (২০০৩),
•ভলভো পরিবেশ পুরস্কার, সুইডেন (২০০৩),
•জাতীয় মেধা পুরস্কার, কলম্বিয়া (২০০৩),
•দ্যা মেডেল অফ দ্যা পেইন্টার অসওয়াল্ড •গুয়ায়াসামিন পুরস্কার, ফ্রান্স (২০০৩),
•তেলিছিনকো পুরস্কার, স্পেন (২০০৪),
সি•টি অফ অরভিতো পুরস্কার, ইটালি (২০০৪),
•দ্যা ইকোনমিস্ট ইনোভেশন পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৪),
•ওয়ার্ল্ড অ্যাফেয়ার্স কাউন্সিল এ্যাওয়ার্ড, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৪),
•লিডারশীপ ইন সোশ্যাল অন্টাপ্রিনেয়ার এ্যাওয়ার্ড, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৪),
•প্রিমিও গ্যালিলীয় ২০০০ স্পেশ্যাল প্রাইজ ফর পিস ২০০৪, ইটালি (২০০৪),
•নিক্কেই এশিয়া পুরস্কার, জাপান (২০০৪),
•গোল্ডেন ক্রস অফ দ্যা সিভিল অর্ডার অফ দ্যা সোশ্যাল সলিডারিটি,স্পেন (২০০৫),
•ফ্রিডম এ্যাওয়ার্ড, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৫),
•বাংলাদেশ কম্পিউটার সোসাইটি গোল্ড মেডেল, •বাংলাদেশ (২০০৫),প্রাইজ ২ পন্টে,ইটালি (২০০৫),
•ফাউন্ডেশন অফ জাস্টিস, স্পেন (২০০৫)

সোর্স:-[*]https://bit.ly/3dG2YDJ
[•]wikipedia